icon/64x64/pollution দূষন

এটা কার গঙ্গা, করের না ঘোষের ?

আবর্জনা, অবৈধ দালান-কোঠা আর শহরের প্রধান মেট্রো রেল লাইনের আড়ালে প্রায় হারিয়ে গেছে পশ্চিমবঙ্গ অংশের গঙ্গার মূল প্রবাহ
Litter on the Adi Ganga in West Bengal (Image: Eric Parker)
Litter on the Adi Ganga in West Bengal (Image: Eric Parker)

ভারতের জাতীয় নদীগুলোর মধ্যে বলতে গেলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান নদী হচ্ছে গঙ্গা। এই নদীর পশ্চিমবঙ্গ অংশে ৭৫ কিলোমিটার দীর্ঘ মূল প্রবাহটির নাম আদি গঙ্গা – আজ তার অস্তিত্ব বলতে গেলে বিলীন হওয়ার পথে। অথচ মাত্র তিনশ’ বছর আগে এই প্রবাহটিই গঙ্গার মূল ধারা হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের ভিতর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পতিত হতো। এককালের প্রবাহমান সেই গঙ্গা এখন মৃতপ্রায় – জীর্ণ-শীর্ণ যতটুকু ধারাই বা টিকে ছিল নর্দমা, আবর্জনা আর মেট্রো রেলের লাইনের নিচে এখন তা হারিয়ে গেছে। দখলদারিত্বের করাল গ্রাসে আদি গঙ্গা আজ পরিণত হয়েছে ছোট ছোট জলাধার, পুকুর আর ঘুন্টিঘরে।

গত তিন দশকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে গঙ্গা। বিশেষ করে সরকার যখন ‘পুনরুদ্ধারের’ নামে প্রায় ২০০ কোটি রুপি এতে বিনিয়োগ করে। এ ধরনের আরো একটি প্রকল্পের কথা উল্লেখ করা প্রয়োজন। জাতীয় গঙ্গা নদী অববাহিকা প্রকল্পের (ন্যাশনাল গঙ্গা রিভার বেসিন প্রজেক্ট) আওতায় সরকার আদি গঙ্গা দূষণ নির্মূল নামে একটি উপ-প্রকল্পের পরিকল্পনা করছে। এতে প্রায় ৬০০ কোটি রুপি ব্যয় হবে। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় কোলকাতা পুরসভা কর্পোরেশন এটি বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু বিষয় হচ্ছে, প্রকল্পটি এখনও প্রাক্কলিত সময়সীমার চেয়ে অনেক পিছিয়ে আছে।

[iframe src=”https://bethwalker22.carto.com/viz/38268cfa-6955-11e6-8048-0e233c30368f/embed_map” width=”100%” height=”600px”]

মূল গঙ্গা

বহু প্রাচীন তথ্য ও মানচিত্র থেকে এটা জানা যায় যে আদি গঙ্গা ১৭শ’ শতাব্দীর দিকেও কোলকাতায় গঙ্গার মূল ধারা হিসেবে প্রবাহিত হতো। সেই সময় ভারতে ছিল বৃটিশ শাসন। গঙ্গাসাগরে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় পতিত হওয়ার আগে এটি কোলকাতার ঐতিহ্যবাহী কালীঘাট মন্দিরের পাশ দিয়ে গড়িয়ার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হতো।

১৭৫০ সালের দিকে হাওড়ার কাছে সংক্রাইলে স্বরস্বতী নদীর সঙ্গে হুগলীকে যুক্ত করার লক্ষ্যে একটি খাল খনন করা হয়। এর ফলে আদি গঙ্গার মূল প্রবাহটি পশ্চিম দিকে প্রবাহিত গতে শুরু করে এবং পরবর্তীতে হুগলী নদীই গঙ্গার মূল ধারা হিসেবে বইতে শুরু করে, ঠিক এখন যেমনটি দেখা যায়।

১৭৭০ সালের দিকে মৃতপ্রায় আদি গঙ্গাকে বাঁচাতে উদ্যোগ নেন উইলিয়াম টলি। তিনি গড়িয়া থেকে শামুকপোতা পর্যন্ত একটি ১৫ কিলোমিটার খাল খনন করেন এবং এর মাধ্যমে আদি গঙ্গাকে বিদ্যাধারী নদীর সাথে সংযুক্ত করেন যার মিলিত ধারাটি পরে সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে সাগরে পতিত হয়। এখনও পর্যন্ত এই মিলিত ধারাটি টলি সাহেবের নালা হিসেবেই পরিচিত।

Illegal structures at Chetla and Kalighat
Illegal structures at Chetla and Kalighat

সুন্দরবনের সীমানার কাছে গড়ে ওঠা শহর বরাল, রাজপুর, হরিনাভি ও বারুইপুরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া এই নদীকে বারবার রুদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে। ১৯৪০ সালেও এই নদী দিয়ে ছোট-খাটো নৌকায় মালামাল পরিবহন করতে দেখা গেছে। আমার শৈশবেও (১৯৪০ সালের দিকে) দেখেছি আদি গঙ্গা ছিল যথেষ্ট বড় একটি নদী। তখন দেখতাম মালামাল পরিবহনের জন্য এই নদীটি বেশ ব্যবহৃত হতো।’ আদি গঙ্গা নিয়ে এমনটাই লিখেছিলেন রেবতি রঞ্জন ভট্টাচার্য্য। ২০০৫ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আদি গঙ্গা পুনরুদ্ধারে নিরলস কাজ করে গেছেন এই নদী বিপ্লবী।

এমনকি ১৯৭০ সালের দিকেও এই নদীটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করতেন সুন্দরবনের মধু আহরণকারীরা। সেসময় তারা সুন্দরবন থেকে আহরিত মধু ও বাঁশ বয়ে নিয়ে এসে দক্ষিণ কোলকাতার ব্যস্ত শহরতলী টলিগঞ্জে যাওয়ার জন্য নির্মিত সেতুর নিচে নৌকাগুলো বেঁধে রাখতেন।

আদি গঙ্গার মৃত্যু – একদিকে মানুষ অন্যদিকে রেলপথ

আবর্জনার ভাগাড়ে পরিনত হওয়া ছাড়াও কোলকাতায় আদি গঙ্গার করুণ পরিস্থিতির জন্য আরো দায়ী অবৈধ দখলদারিত্ব। ১৯৯৮ সালে হাইকোর্টে দাখিলকৃত এক প্রতিবেদনে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয় হেষ্টিংস (হুগলি মোহনা) থেকে গড়িয়া  (যেখান থেকে টলি’র নালা শুরু হয়) পর্যন্ত ১৫.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নদীর উপরে ৭,৮৫১টি অবৈধ স্থাপনা পাওয়া যায় যাতে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা ৪০,০০০। এছাড়াও সেখানে রয়েছে আরো ৯০টি মন্দির, ৬৯টি গুদামঘর ও ১২টি গবাদী পশুর শেড।

চেতলা ও কালিঘাটে অবৈধ স্থাপনা

১৯৯৮ সালের ২৪ এপ্রিল কোলকাতা হাইকোর্ট এক মাসের মধ্যে সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে ফেলার আদেশ দিয়েছিল। অথচ সেসব স্থাপনা এখনও দেখা যাচ্ছে – খোদ রাজ্য সরকারের প্রতিবেদনেও তা স্বিকার করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড ও কোলকাতা পুরসভা কর্পোরেশনর ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা এক প্রতিবেদনে আদি গঙ্গায় ব্যাপক দখলের কথা উল্লেখ করা হয়।

এ প্রসঙ্গে পরিবেশ কর্মী সুভাষ দত্ত বলেন, এ ধরনের দখলদারিত্ব ঘটার পিছনে কারন একটাই, তা হচ্ছে এসব স্থানীয় দুর্বৃত্তরা (মাফিয়া) সবসময়ই রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় পেয়ে থাকে।

আদি গঙ্গার কফিনে শেষ পেরেকটা ঠুকে দেয়া হয় ২০০৯ সালে টলিগঞ্জ ট্রাম ডিপো থেকে গড়িয়া পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ মেট্রো রেল লাইন স্থাপনের মধ্য দিয়ে। এই রেল লাইনকে চালিয়ে নিতে নদীর ঠিক মাঝমাঝি ৩০০টি পিলার স্থাপন করা হয়। বেসরকারী সংস্থা বসুন্ধরার কর্মী মোহিত রায় বলেন, এনিয়ে জনগনের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ ছিল। এমনকি জনস্বার্থে হাইকোর্টে একটি রিটও দায়ের করা হয়েছিল যাতে নদীর উপর দিয়ে মেট্রো রেলের লাইন নিয়ে যাওয়ার কাজ বন্ধ করা হয়। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। রেল লাইন স্থাপনের কাজ এগিয়ে গেছে সদম্ভে।

Bansdroni, along the Metro route
Bansdroni, along the Metro route

দূর্গন্ধের নদী

দ্যথার্ডপোল.নেট এর একটি প্রতিনিধিদল সম্প্রতি আদি গঙ্গা পরিদর্শন করেছে। এসময় দেখা যায় যে এই নদীতে দখলদারিত্ব যেন অতি স্বাভাবিক একটি বিষয়। নদীর তীর ঘেষে নির্মিত কংক্রিটের বাড়িগুলো থেকে সব ধরনের বর্জ্য সরাসরি গিয়ে মিশছে নদীর জলে। শুধু তাই নয়, কেবল কোলকাতাতেই নদীর দু’ধারে গড়ে উঠেছে হাজার হাজার বস্তিঘর। এসব ঘরের প্রত্যেকটির সাথে রয়েছে অস্থায়ী পায়খানা যেগুলো তৈরি করা হয়েছে ঠিক নদীর জলের উপরে। এছাড়াও নদীর ঠিক পাড়েই রয়েছে অসংখ্য গবাদি পশুর থাকার যায়গা, ছোটখাটো কারখানা ও আর পাড়ার বিভিন্ন বিনোদোন ক্লাব। মেট্রো রেলের পিলারগুলোর চারপাশে আটকে আছে অসংখ্য ব্যবহৃত পলিথিন আর তার ফলে কালো-নোংরা জল আটকে থাকছে। পরিস্থিতি এমন যে কোনো কিছুতেই দূর্গন্ধ দুর হয় না।

দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে আদি গঙ্গা

সবচেয়ে করুণ অবস্থা দেখা যায় গড়িয়াতে। এখানে এসে নদী যেন একদম হারিয়ে গেছে।

নরেন্দ্রপুর থেকে রাজপুর-সোনাপুর পর্যন্ত তিন কিলোমিটার এলকায় বস্তুত কোনো নদীর নাম নিশানা নেই। এসব স্থানে নির্মান করা হয়েছে কংক্রিটের দালান, কমিউনিটি হল আর রাস্তাঘাট। খুব কাছেই দেখা যায় দীর্ঘায়িত কিছু জলাধার বা পুকুর যেগুলো আবার নামকরণও করা হয়েছে, যেমন ‘করের গঙ্গা’, ‘ঘোষের গঙ্গা’ ইত্যাদি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একজন প্রৌঢ় অধিবাসী বলেন, ১৯৮০ সালের দিকে মূলত নদীকে ঘিরে দখলদারিত্বের মচ্ছ্বব শুরু হয়। নদীর দু’পাশে মানুষ বসবাস করতে শুরু করে, একে একে গড়ে উঠতে থাকে অবৈধ বাড়িঘর আর স্থাপনা।

পশ্চিমবঙ্গে রাজপুর-সোনাপুর হচ্ছে সবচেয়ে বর্ধনশীল শহর।

আশার আলো

এত কিছুর পরেও সামান্য আশার আলো দেখা দিয়েছে। দ্যথার্ডপোল.নেট এর প্রতিনিধিদলটি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জয়নগরের কাছে সুর্য্যপুর পর্যন্ত নদীটিকে অনুসরণ করেছে। স্থানীয়রা বলেছে এই নদীটি পিয়ালীর সাথে মিশে সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে মাল্টা নদীতে আবার মিশে সাগরে গিয়ে পড়েছে।

পুরোপুরি অদৃশ্য হলেও নদী ফিরে আসার ব্যাপারে তাই কিছুটা আশার আলো দেখা যাচ্ছে। করের গঙ্গা সংরক্ষণ সংক্রান্ত কমিটির সেক্রেটারি স্বপন ঘোষ বলেন, আদি গঙ্গা যে মৃত নয়, সেকথা বিশ্বাস করার মতো এখনও যথেষ্ট কারণ রয়েছে। এটি আসলে এখনও অবৈধ স্থাপনার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, কয়েক বছর আগে আমরা যখন করের গঙ্গাকে পরিস্কার করার কাজ করছিলাম তখন দেখেছি নিচে একটি চলমান প্রবাহ।

ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব স্যোশাল ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট- এর ভূগর্ভস্থ জল বিশেষজ্ঞ প্রদীপ সিকদারও স্বপন ঘোষের মতো আশাবাদী। তিনি বলেন, অনবরুদ্ধ জলাধারে কিন্তু ভূগর্ভ্যস্থ জলের সঙ্গে নদীর জল এসে মিশতে পারে।

মৃত নদী

তবে আদি গঙ্গা যেভাবে দখল হয়েছে সে অবস্থা থেকে ফিরে আসার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ। প্রায় ২০০ কোটি রুপি ব্যয়ে নদী পরিস্কার সংক্রান্ত প্রকল্পটির ব্যাপারে মন্তব্য করতে গিয়ে পরিবেশ কর্মী সুভাষ দত্ত বলেন, এটি আসলে একটি বিরাট দুর্নীতির জন্ম দিয়েছে। এর মাধ্যমে মূলত রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় দখলদারিত্ব, বর্জ্য ও অন্যান্য সব ধরনের উপায়ে নদীটিকে হত্যা করা হয়। সুভাষ দত্ত সম্প্রতি আদি গঙ্গার করুণ পরিস্থিতি নিয়ে ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালে একটি রিট দায়ের করেছেন।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রন বোর্ডের সাবেক প্রধান আইন কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ মুখার্জীও একে একটি দুর্ণীতি বলেই বিবেচনা করেন। তিনি বলেন, কেবল আদি গঙ্গাই নয়, বলতে গেলে সমগ্র গঙ্গাতেই একই পরিস্থিতি। গঙ্গা কর্মকৌশল প্রকল্পের আওতায় যত অর্থ ব্যয় করা হয়েছে সে অনুপাতে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, আসলে আমাদের দেশে পরিবেশগত দুর্নীতি ও অপরাধগুলো পরিস্কারভাবে চিহ্নিত করা যায় না।

দূষণ নিয়ন্ত্রন বোর্ডের তথ্য মতে, আদি গঙ্গায় অক্সিজেনের মাত্রা শূন্যের কোঠায়। তাই এখানে কোনো প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাবনা শূন্য। এখানে প্রতি ১০০ মিলি লিটার জলে কলিফর্ম ব্যকটেরিয়ার পরিমান নয় থেকে ১৬ মিলিয়ন। ¯œানের জন্য প্রতি ১০০ মিলি লিটার জলে এর পরিমান থাকা উচিত কমপক্ষে ৫০০। বর্জ্য বা আবর্জনার পাশাপাশি কমপক্ষে ৫৭টি নালার মাধ্যমে অপরিশোধিত বর্জ্য গিয়ে মিশছে আদি গঙ্গায়।

আশা দুরস্ত নয়

দূষণ নিয়ন্ত্রন বোর্ডের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট জল বিশেষজ্ঞ কল্যান রুদ্র মনে করেন যতটুকু সম্ভব আদি গঙ্গাকে পনরুদ্ধার করা উচিত কারন এর অববাহিকার গড়ে তোলা পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পরিবেশ কর্মী সুভাষ দত্ত এবং রায় বাবু দু’জনেই মনে করেন আদি গঙ্গাকে নিশ্চিতভাবেই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এ প্রসঙ্গে দত্ত বাবু বলেন, রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকার চাইলে অবশ্যই এই নদীটির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরে আসতে পারে। তিনি বলেন, দেখুন, সরকার যদি গঙ্গা নিয়ে গবেষনা ও সৌন্দর্যায়নের পিছনে শত শত কোটি রুপি ব্যয় করতে পারে তাহলে একই নদীর একটি পুরোনো প্রবাহকে কেন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পারবে না?

তিনি বলেন, পৃথিবীর বহু দেশেই হারিয়ে যাওয়া ও মৃত প্রায় নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। যদি তারা পারে তবে আমরা কেন পারব না?

 

 

অনুবাদতানজিলা রওশন

 

 

একটি মন্তব্য যোগ করুন

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.