১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে গঙ্গা চুক্তি সই হয়। গঙ্গার জল বন্টন নিয়ে দু’দেশের মধ্যে সই হওয়া এই চুক্তিটি আদতেই একটি ঐতিহাসিক চুক্তি। হিমালয়ে উৎপন্ন হয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই নদীটি নেপাল ও ভারত পরিভ্রমন করে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। গঙ্গার জলবন্টন সংক্রান্ত এই চুক্তি সইয়ের আগে, বিশেষ করে ১৯৭৫ সালে ফারাক্কা বাঁধ খূলে দেয়ার পর এই নদী থেকে ভারত জল অপসারণ করে নিলে বাংলাদেশ ব্যাপকভাবে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত দিক থেকে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়।

চুক্তি সইয়ের ২০ বছর পূর্তিতে বাংলাদেশের প্রখ্যাত পরিবেশবিদ ও চুক্তিটির অন্যতম কারিগর আইনুন নিশাত কথা বলেন সাংবাদিক কামরান রেজা চৌধুরীর সাথে। এসময় তিনি এই চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা, চুক্তির সার্বিক অবস্থা এবং চুক্তিটিকে আরো যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে কী করা যেতে পারে তা নিয়ে কথা বলেন।

অধ্যাপক আইনুন নিশাত গঙ্গা চুক্তির অন্যতম একজন স্থপতি বা প্রণয়নকারী।

কামরান রেজা চৌধুরী (কেআরসি): গঙ্গার জল বন্টন চুক্তির বিষয়গুলো নিয়ে একটু বিস্তারিত জানতে চাই।

আইনুন নিশাত (আনি): দেখুন, গঙ্গার জল বন্টন চুক্তির বিষয়ে জানতে হলে আগে আপনাকে বুঝতে হবে আন্ত:দেশীয় নদী বা যৌথ নদী বলতে কী বোঝায়? যে নদীটি একের অধিক সার্বভৌম দেশ অতিক্রম করে প্রবাহিত হয় তাকেই আমরা আন্ত:দেশীয় নদী বা যৌথ নদী বলি। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে যৌথ নদীর জল বন্টন নিয়ে দ্বন্দ্ব বা বিরোধ থাকাটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। এমনকি একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের ভিতরেও রাজ্যগুলোর মধ্যে নদীর জল ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ হয়ে থাকে। যেমন ধরুন, ভারতের তেলেঙ্গানা ও অন্ধ্র প্রদেশের মধ্যে কৃঞ্চা ও অন্য কয়েকটি নদীর জল ভাগাভাগি নিয়ে তীব্র বিরোধ চলে আসছে দীর্ঘদিন থেকে। অন্ধ্র প্রদেশ বাংলাদেশের মতো নি¤œাঞ্চল আর অন্যদিকে তেলেঙ্গানা রাজ্য উজানে থাকা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা একটি রাজ্য, ঠিক যেমন বাংলাদেশের সাপেক্ষে ভারত।

অন্ধ্রের অভিযোগ রাজ্যের মধ্যে প্রবাহমান যৌথ নদীর জল ভাগাভাগিতে আগ্রহী নয় তেলেঙ্গানা, কারণ নদীর জল আটকে জল সংরক্ষণ করার ক্ষেত্রে তেলেঙ্গানা যথেষ্ট সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে নদীর অববাহিকার নি¤œভাগে অর্থাৎ ভাটিতে, কৃষি জমি ও শহরাঞ্চলে জলের চাহিদা অত্যধিক। এছাড়া বড় আরেকটি সমস্যা হচ্ছে অববাহিকার নি¤œভাগে রয়েছে সাগর। উজান থেকে মিষ্টি জলের প্রবাহ স্বাভাবিক পর্যায়ে না থাকলে লবনাক্ততার পরিমান বেড়ে যায়, যা প্রকৃতপক্ষে পরিবেশ ও প্রতিবেশের উপরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে থাকে। সুতরাং বলা যায় যে উজানে থাকা রাজ্যগুলো সবসময়ই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে – তারা যে কোনো সময় জল আটকে সংরক্ষণ করতে পারে, জলবিদ্যুত উৎপন্ন করতে পারে, এমনকি নদীতে নাব্যতা ঠিক রেখে নৌচলাচলও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। একটি নদী তাই যদি দু’টি সার্বভৌম রাষ্ট্র অথবা একই দেশের ভিতরে দু’টি প্রদেশ বা রাজ্যের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়, সে অবস্থায় কোনো পক্ষই অপর পক্ষের প্রয়োজন বা চাহিদা পূরণে আগ্রহী হতে চায় না।

এর সাথে যুক্ত হয়েছে অতিরিক্ত জলের চাহিদা। বিশ্বব্যাপী ব্যাপক হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে জলের চাহিদাও বাড়ছে হু হু করে। সেচ ও কৃষির জন্য আমাদের প্রতিদিনই প্রচুর জলের প্রয়োজন হয়। আবার আরেকটি সমস্যা হচ্ছে, অনেক সময় প্রয়োজনের চেয়েও আমরা বেশি জল পেয়ে থাকি (যার ফলে সৃষ্টি হয় বন্যা); আবার কখনও জলের অভাবে এমন সংকট সৃষ্টি হয় (যেমন খরা) যে জনগণ তখন আর জল ভাগাভাগি করতে আগ্রহী হয় না।

কেআরসি: গঙ্গা চুক্তি সইয়ের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে বলুন।

এএন: বৃটিশদের থেকে পাওয়া ধারণার উপর ভিত্তি করে ১৯৫১ সালে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে ফারাক্কা বাঁধ নির্মানের পরিকল্পনা প্রথমবারের মতো প্রকাশ করে। এই বাঁধ নির্মানের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোলকাতা বন্দরকে নৌ-পরিবহনের জন্য সচল রাখা। ১৯৬০ থেকে ১৯৭০ সালের মধ্যবর্তী সময়ে ভারতের সংশ্লিষ্ট  কর্তৃপক্ষ পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে (তদানীন্তন সময়ে বাংলাদেশ পাকিস্তানের অন্তর্ভূক্ত ছিল) বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যায়, তবে কোনোরকম ঐকমত্য না হওয়ায় বিষয়টি বার বার ভেস্তে যায়।

১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৭৫ সালে ভারত সরকার ফারাক্কা বাঁধ পরীক্ষামূলকভাবে চালু করার আগ্রহ প্রকাশ করে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ সরকারের সম্মতি চেয়ে অনুরোধ জানায়। ১৯৭৫ এর আগষ্টে আততায়ীর হাতে নিহত হন বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এরপর ১৯৭৬ সালে ভারত গঙ্গা থেকে জল অপসারণ করতে শুরু করে যা কি না বাংলাদেশে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে শুরু করে, বিশেষ করে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে যেখানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবন রয়েছে, সেখানে তীব্র প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।

১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে ৫ বছর মেয়াদী একটি চুক্তি সই করে। এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গার জল ভাগাভাগি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি দীর্ঘ মেয়াদী সমাধানের পথ নির্ণয় করা। ১৯৭৭ সালে করা চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে উভয়পক্ষ ১৯৮২ সালের ৭ অক্টোবর এক বছর মেয়াদী একটি সমঝোতা স্মারকে সই করে। এরপর ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে আরো একটি সমঝোতা স্মারক সই করে প্রতিবেশী দুই দেশ। দ্বিতীয় সমঝোতা স্মারকটির মেয়াদ শেষ হলে ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত দু’পক্ষের মধ্যে কোনো চুক্তি বলবত ছিল না। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে দু’পক্ষের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী এই চুক্তিটি সই হয়।

আপনাকে বুঝতে হবে ১৯৯৬ সালে এসে আমরা ভারতকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছিলাম যে গঙ্গার জল বন্টনে কোনো সমঝোতা স্মারক নয় বরং প্রয়োজন একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তির। দু’টি দেশের মধ্যে আর্ন্তজাতিক ক্ষেত্রে আইনগত কাঠামো কেবল একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমেই  সুনিশ্চিত হতে পারে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিটি তাই একটি ঐতিহাসিক চুক্তি, যদিও এর বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে।

কেআরসি: এই চুক্তিটিকে কেন ঐতিহাসিক চুক্তি বলা হয়ে থাবে? আর এর সীমাবদ্ধতাগুলো কি কি?

এএন: এটি একটি ঐতিহাসিক চুক্তি কারণ এটি সই হওয়ার আগে ভারত কখনই চুক্তি সইয়ের বিষয়ে আগ্রহী ছিল না, অতীতের সবগুলোই ছিল স্বল্পমেয়াদী চুক্তি। দেখুন, বর্ষা মৌসুমে অর্থাৎ জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে আমাদের এখানে জলের সংকট হয় না, কিন্তু শুষ্ক মৌসুম, বিশেষ করে জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত নদীতে জলের প্রবাহ ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়। তাই দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী স্বাক্ষরিত এই গঙ্গা চুক্তির মধ্য দিয়ে এই নদীটির জল ভাগাভাগি করে ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা হয়েছে। আমি সীমাবদ্ধতার বিষয়গুলো নিয়ে একটু পরে আলোচনা করছি।

কেআরসি: সুতরাং, এক্ষেত্রে কি আপনি মনে করেন জল বন্টনের বিচারে এটি একটি আদর্শ চুক্তি?

এএন: অবশ্যই এটি একটি আদর্শ চুক্তি। এখনও পর্যন্ত চুক্তিটি বেশ ভালোভাবেই কাজ করছে। আমি সই হওয়া চুক্তিটি থেকে উদ্ধৃত করে বলতে চাই, ‘চুক্তিকালীন সময়ে প্রতিবছর মার্চের ১১ তারিখ থেকে মে মাসের ১০ তারিখ পর্যন্ত প্রতি ১০ দিন অন্তর বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশই ৩৫ হাজার কিউসেক করে জল পাবে।’ সুতরাং বলাই যায় যে বাংলাদেশ চুক্তি অনুযায়ি সুবিধা ভোগ করছে। তারপরেও বলতে হবে এই চুক্তিতে আরো কিছু বিষয় অন্তুর্ভূক্ত করা যেতে পারে।

কেআরসি: গঙ্গা চুক্তির সীমাবদ্ধতার বিষয়গুলো নিয়ে কিছু বলুন।

এএন: প্রথমেই আসি চুক্তির সময়কাল নিয়ে। এই চুক্তিটি মাত্র ৩০ বছর মেয়াদী একটি চুক্তি, যা আসলে সঠিক নয়। যেমন ধরুন, আপনি ও আপনার সহোদর আপনাদের পিতার কাছ থেকে একটি জমি উত্তরাধীকার সূত্রে প্রাপ্ত হলেন। এক্ষেত্রে আপনারা কি এই জমিটি ২০ বা ৩০ বছরের জন্য একে অপরের সাথে ভাগাভাগি করবেন? ৩০ বছর পরে এই জমিটির ভবিষ্যত কী হবে? নিশ্চয়ই নয়, আপনারা ভাগাভাগি করলে অবশ্যই তা হবে আজীবনের জন্যে, তাই নয় কি? ঠিক তেমনি, এমন একটি চুক্তি ভারতকে সবসময়ই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে সহায়তা করবে। সুতরাং বর্তমানে চলমান চুক্তিটি থেকে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ না করে বলা উচিত ‘নতুন কোনো চুক্তি সইয়ের আগ পর্যন্ত বর্তমান চুক্তিটি স্বাভাবিকভাবে চলমান থাকবে।’

আরেকটি সমস্যা হচ্ছে আমরা কেবলমাত্র ফারাক্কা পয়েন্টে থাকা জল একে অন্যের সাথে ভাগাভাগি করছি। পশ্চিমবঙ্গের উজানে গঙ্গা অববাহিকায় অন্যান্য যেসব রাজ্য রয়েছে যেমন, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ এবং বিহার – এরা সবাই নদীটি থেকে জল অপসারণ করছে। বিহার এবং পশ্চিমবঙ্গ গঙ্গার জল নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়ছে কিন্তু অন্যদিকে নদীর অববাহিকায় থাকা অন্যান্য রাজ্যের বিষয়ে তারা কিন্তু কোনো কথা বলছে না। ভবিষ্যতে, আমার মনে হচ্ছে ভারত সরকার ফারাক্কা পয়েন্টে নূণ্যতম ৭০ হাজার কিউসেক জল নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হতে পারে। আর ফারাক্কা পয়েন্টে থাকা জল থেকেই বাংলাদেশ তার হিস্যা পেয়ে থাকে।

ফারাক্কা বাঁধ আসলে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের একটি প্রকল্প, তাই দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারকেই সাম্যতার ভিত্তিতে গঙ্গার জল ভাগাভাগির কাজটি নিশ্চিত করতে হবে।

কেআরসি: চুক্তিটি তাহলে কেন ৩০ বছরের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হলো?

এএন: দেখুন, এই চুক্তির আগে সই হওয়া সবগুলো চুক্তি ও সমঝোতা এক থেকে পাঁচ বছর মেয়াদী ছিল। যখন আমরা ৩০ বছরের একটি সময়সীমা পেলাম, আমরা ভাবলাম এটি আসলে আমাদের জন্য একটি বড় অর্জণ।

কেআরসি: গঙ্গা চুক্তিটিকে আরো যুগোপযোগী করতে বাংলাদেশ সরকারের কোন বিষয়গুলোকে আমলে নেয়া উচিত বলে মনে করেন?

এএন: এ মুহুর্তে বাংলাদেশের উচিত যুত দ্রুত সম্ভব ভারতের সাথে আলোচনা করে একটি সময়োপযোগী ও দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির পথে অগ্রসর হওয়া। কারণ এ ধরনের চুক্তি চূড়ান্ত অবস্থায় পৌছতে কমপক্ষে পাঁচ থেকে ছয় বছর সময় লেগে যায়। তবে দু:খের বিষয় হলো আমি এখনও এনিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোনো দৌড়-ঝাপ দেখতে পাচ্ছি না। মনে হচ্ছে বিষয়টি উচ্চ পর্যায়ে আলোচনার টেবিলে যাওয়ার মতো গুরুত্ব এখনও পায়নি। চুক্তি ছাড়া কী ঘটে তা আমরা বেশ ভালো ভাবেই দেখতে পেয়েছি। অতীতে, আমরা এ ধরনের প্রায় সব দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় ব্যর্থ হয়েছি সেকথাটি কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না।

কেআরসি: ভবিষ্যতে একটি ফলপ্রসু আলোচনার জন্য দু’দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে বলে আপনার মনে হয়?

এএন: অবশ্যই, বাংলাদেশ ও ভারত ১৯৭৪ সাল থেকেই নেপালে গঙ্গার জল বন্টনের বিষয়টি নিয়ে কথা বলে আসছে। ২০১১ সালে ভারত ও বাংলাদেশ গঙ্গায় অববাহিকা ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা শুরুর ব্যাপারে সম্মত হয়। এটি আসলে একটি বড় উদ্যোগ। এতে বুঝা যাচ্ছে যে গঙ্গা অববাহিকায় থাকা সবগুলো দেশ অববাহিকা ভিত্তিক ব্যবস্থাপনার সুফল সম্পর্কে আরো ওয়াকিবহাল হতে শুরু করেছে। দেখুন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সবমিলিয়ে ৫৭টি যৌথ নদী রয়েছে। তাই আমাদের জন্য এই বিষয়গুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এ মুহুর্তে বাংলাদেশের কিছু সৎ, যোগ্য, কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন দেশপ্রেমিক বিশেষজ্ঞ প্রয়োজন যারা আসলে গঙ্গার জল বন্টন চুক্তিকে আরো যুগোপযোগী করে বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

এদিকে একটি উৎকৃষ্ট গঙ্গা চুক্তির পথ অনুসরণ করে আমরা দু’দেশের মধ্যে প্রবাহিত অন্যান্য যৌথ নদীগুলোর ব্যাপারেও চুক্তির পথে এগিয়ে যেতে পারবো বলে আমি মনে করি।

 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.